• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
এনায়েত উল্লাাহ আব্বাসী’র মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপ’র মানববন্ধন!  সাংবাদিকদের নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন আজ সীমান্তে ক্ষতিকর ক্রিমসহ সাড়ে ২৩ লাখ টাকার মালামাল জব্দ দালালদের দৌরাত্ম্য ওসমানী হাসপাতাল থেকে হামের রোগী ‘গায়েব’, ফ্রিডম হাসপাতালে সন্ধান! অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন নিয়ে প্রশ্ন! বরুণা মাদ্রাসার নিখোঁজ শিক্ষককে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার, হাসপাতালে মৃত্যু নগরীর জালালাবাদে চাঁদাবাজির অভিযোগে ফরিদ মিয়া আটক ধর্মপাশায় অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর সচেতনতামূলক সভা প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি খেলার মাঠ গড়ার পরিকল্পনা সরকারের ফারহানা-আওলাদের অনৈতিক পরকিয়ায় বাধা দেওয়ায় বিধবা মহিলার উপর হামলা, থানায় অভিযোগ! ওমানীনগরে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০

সিলেটে বেপোরোয়া দলিল জালিয়াত চক্র,২ লাখ টাকা জরিমানা

Reporter Name / ২২২ Time View
Update : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে ফের জাল কাগজপত্র দিয়ে জমি বিক্রয়ের চেষ্টাকালে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে উভয়পক্ষকে ২ লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১টার দিকে সদর সাবরেজিস্ট্রার অফিসে এই ঘটনা ঘটে। জরিমানাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ক্রেতা পক্ষের প্রতিনিধি ও শ্বশুর শুক্কুর আলী এবং বিক্রেতা পক্ষের মাকসুদা চৌধুরী। তবে এ ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত সুমন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সিলেট সদর সাবরেজিস্ট্রার মিনহাজ উদ্দিন জানান, বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত সম্পত্তির প্রকৃত মালিক মাকসুদা চৌধুরী বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। তার স্বামী জীবিত থাকাকালে হেবা দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তিটি তার নামে হস্তান্তর করেন। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ও নামজারিও রয়েছে। পরবর্তীতে তিনি ১ কোটি ১৫ লাখ টাকায় সম্পত্তিটি বিক্রির জন্য ক্রেতার সঙ্গে বায়নাপত্র সম্পাদন করেন। জমা দেওয়া বায়নাপত্রসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র প্রাথমিকভাবে সঠিক বলেই প্রতীয়মান হয়েছে।

তবে বুধবার হেবা দলিলকে পাশ কাটিয়ে পরবর্তীতে তৈরি করা একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি (পাওয়ার দলিল) সামনে আসায় জটিলতার সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট দলিলের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে অসঙ্গতি দেখা দেওয়ায় সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই শুরু করে। এ সময় দলিলটি কারা এবং কীভাবে তৈরি করেছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, যাচাই-বাছাইয়ে দেখা গেছে, মূল মালিকানার দাবির ভিত্তি হিসেবে থাকা হেবা দলিল, রেকর্ড ও নামজারির তথ্যের সঙ্গে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির তথ্যের মিল পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত মালিকানা যাচাই করে মাকসুদা চৌধুরীর নামে থাকা রেকর্ড ও নামজারির বিষয়টিও পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd