• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
এনায়েত উল্লাাহ আব্বাসী’র মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিসকপ’র মানববন্ধন!  সাংবাদিকদের নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য ও সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন আজ সীমান্তে ক্ষতিকর ক্রিমসহ সাড়ে ২৩ লাখ টাকার মালামাল জব্দ দালালদের দৌরাত্ম্য ওসমানী হাসপাতাল থেকে হামের রোগী ‘গায়েব’, ফ্রিডম হাসপাতালে সন্ধান! অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন নিয়ে প্রশ্ন! বরুণা মাদ্রাসার নিখোঁজ শিক্ষককে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার, হাসপাতালে মৃত্যু নগরীর জালালাবাদে চাঁদাবাজির অভিযোগে ফরিদ মিয়া আটক ধর্মপাশায় অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর সচেতনতামূলক সভা প্রতি তিন ওয়ার্ডে একটি খেলার মাঠ গড়ার পরিকল্পনা সরকারের ফারহানা-আওলাদের অনৈতিক পরকিয়ায় বাধা দেওয়ায় বিধবা মহিলার উপর হামলা, থানায় অভিযোগ! ওমানীনগরে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২০

জুড়ীতে সিএনজি চালক বলাই মিয়া হত্যা, মা-মেয়ে গ্রেপ্তার

Reporter Name / ৪৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুড়ী প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের জুড়ীতে সিএনজি চালক আবুল কালাম বুলুচান্দ ওরফে বলাই মিয়া (৩৯) হ’ত্যার রহস্য উন্মোচন। হ’ত্যার পর তাঁর লা’শ জুড়ী নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার আপন সমন্ধিকের বউ ও তাঁর মেয়ের বি’রুদ্ধে। এ ঘটনায় আছমা বেগম (৩৮) ও তাঁর মেয়ে লিমা আক্তারকে (১৮) গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের জাঙ্গিরাই এলাকায় জুড়ী নদীতে ভাসমান অবস্থায় কালামের লা’শ উ’দ্ধা’র করা হয়। পরে স্বজনেরা লা’শটি শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত আবুল কালাম বুলুচান্দ পূর্ব জুড়ী ইউনিয়নের বড় ধামাই গ্রামের বাসিন্দা। গ্রে’প্তার আছমা বেগম পাশের গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের পূর্ব কচুরগুল নালাপুঞ্জি এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাম দুটি বিয়ে করেছিলেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী আছমা বেগমের ননদ। স্বামী বশির আহমদ মা’রা যাওয়ার পর আছমা দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে বসবাস করতেন। পরিবারের ব্যয় নির্বাহের জন্য তিনি একটি সিএনজি অটোরিকশা কিনে সেটি ভাড়ায় চালানোর জন্য কালামকে দেন। এ কারণে কালামের ওই বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে আছমার সঙ্গে কালামের পরকিয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়। গত মঙ্গলবার রাতে কালাম আছমাদের বাড়িতে যাওয়ার পর আর বাড়িতে ফেরেননি। এরপর বৃহস্পতিবার দুপুরে জুড়ী নদীতে তাঁর লা’শ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ম’রদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনে কালামের গলায় একাধিক কো’পের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। পরে তাঁর পরিবারের সদস্যরা ম’রদেহ শনাক্ত করেন।

এ ঘটনায় কালামের ছোট ভাই হাফিজ উদ্দিন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আ’সামি করে জুড়ী থানায় একটি হ’ত্যা মামলা করেন। তদন্তের একপর্যায়ে কালামের মুঠোফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে আছমা ও তাঁর মেয়ে লিমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আছমা হ’ত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। নিহত কালাম ঘটনার দিন আছমা বেগম কে বিয়ের প্রস্তাব দিলে আছমা সামাজিকভাবে মানুষের বিরুপ প্রতিক্রিয়ার কথা চিন্তা নাকচ করে ছেলে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরলে এক পর্যায়ে বাক বিতন্ডা সৃষ্টি হয়। তখন আছমা বেগম দা দিয়ে কালাম কে তিনটি কুপের আঘাত করে ঘটনাস্হলেই সে মারা যায়। পরে মেয়ে কে সাথে নিয়ে একটি কলা গাছের ভেলায় বেঁধে কালামের লা’শ বাড়ীর পাশের একটি খালে ফেলে দেয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত একটি দা ও কালামের মুঠোফোন জ’ব্দ করা হয়েছে। মামলায় মা-মেয়েকে গ্রে’প্তার দেখানো হয়েছে।

জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ হ’ত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রে’প্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হবে এবং তাঁদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd