নিজস্ব প্রতিবেদক: ওসমানীনগরের সন্ত্রাসীদের গডফাদার ডেবিল লন্ডন প্রবাসী জরিফ হোসেন আছান খাঁ দেশে আসার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে আতংক ও উদ্দেগ বাড়ছে। ইতিমধ্যে তার বাহিনীর প্রধান আওয়ামীলীগ নেতা মেম্বার নূরহোসেন – আছান খাঁর বড় ভাই অনেক মামলার আসামি তাদের বাহিনী নিয়ে এলাকায় নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা।
বিশ্বস্থ সুত্রে জানা যায়, সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার সিকন্দরপুর (পশ্চিম গ্রাম) এলাকায় প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত জরিফ হোসেন আছান খাঁ ও তার সহযোগী সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় কিছু বাসিন্দা। বিগত আওয়ামীলীগের আমলে সে প্রবাসী আব্দুল গাফ্ফার কে হত্যা করে এবং এই খুনের মামলা দামাচাপা দিতে নিজ হাতে তারই কাজের লোক নিরিহ কুদ্দুস কে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করে। এই কুদ্দুসের পরিবার আশ্রয়হীন আজ রাস্তায় রাস্তায় ফিরছে। বিচার না পেয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। এলাকায় তার ভয়ে অনেক মানুষ গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
তারা বলেন সন্ত্রাসীদের গডফাদার লন্ডনী প্রবাসী ডেবিল জরিফ হোসেন আছান খাঁ ওসমানীনগর উপজেলার সিকন্দরপুর পশ্চিম গ্রামের মৃত আবুল হুসেনের পুত্র। আছান খাঁ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, সে সন্ত্রাসীদের মুল হোতা, বন্দুকদারী সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান। বাহীনির অন্য সক্রিয় সদস্যরা হলো -একই গ্রামের বাসিন্দা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন এর পুত্র নুর হোসেন মেম্বার, আং গফুর এর পুত্র মুজিবুর রহমান, আং রব এর পুত্র আফিকুর রহমান, কুহিনুর রহমান, শামিমুর রহমান, শাহীনুর রহমান, হরেশ সুত্রধর এর পুত্র অর্জুন সুত্রধর, সুরেশ সুত্রধর এর পুত্র সুবুধ সুত্রধর, পমেশ সুত্রধর এর পুত্র প্রনধীর সুত্রধর, রনধীর সু্ত্রধর এবং লুছন মিয়ার পুত্র মুক্তি মিয়া। বিভিন্ন মামলায় এইসব সন্ত্রাসীদের বন্দুক সহ আটকের ছবি সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রয়েছে। তিনি দেশে আসায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এলাকায় প্রচারিত একটি লিফলেটে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে প্রবাসীর জমি দখল, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। অভিযোগকারীরা এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। লিফলেটে আরও দাবি করা হয়, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন এবং অভিযোগের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা উচিত।
তবে লিফলেটে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত জরিফ হোসেন আছান খাঁ বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য চেস্টা করে ও পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।