• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ঢাকার গেণ্ডারিয়ায় ফ্ল্যাট কেনার কথা বলে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ; কোতোয়ালি থানায় জিডি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি ‘লাইনম্যান’ নন রোবেল, তবুও পুলিশের নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ভুল চিকিৎসায় বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের মৃত্যু? চিকিৎসক উধাও জৈন্তাপুরে ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, যুবক নিহত! আইনজীবীর অজ্ঞাতে ভিডিও ধারণ, অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ সুরমার নওয়াগাঁও বালুমহাল বন্ধ: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চায় ইজারাদার থানায় অপহরণের অভিযোগ, পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার—জৈন্তাপুরে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি’ সিলেট বিভাগীয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, সিলেট এর ডেভেলপমেন্ট স্টাডিস বিভাগের মিলন মেলা ২০২৬ অনুষ্ঠিত ছাতক নৌবন্দরের ইজারাদার সনি-সোহা এন্টার প্রাইজ

খাদিম চা-বাগানের জমি দখল বাণিজ্যের অভিযোগ ইজারাদার ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে

Reporter Name / ২১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদক: ‎সিলেট সদর উপজেলার খাদিমপাড়া এলাকায় সরকারি খাস জমি ও খাদিম চা-বাগানের জমি দখল করে অবৈধভাবে প্লট তৈরি এবং বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর চা-বাগানের ইজারাদার আফজাল রশীদ চৌধুরী  সাবেক ম্যানেজার শামীম কোরেশী, বর্তমান ম্যানেজার আতিকুর রহমান আতিক এবং ইজারাদারের আত্মীয় হিসেবে পরিচিত জামানের দিকে।

‎স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এবং বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সরকারি খাস জমি ও চা-বাগানের জমি দখল করে সেখানে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং প্লট আকারে বিক্রি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

‎স্থানীয়দের দাবি, সাবেক ম্যানেজার শামীম কোরেশী, বর্তমান ম্যানেজার আতিকুর রহমান আতিক এবং ইজারাদারের আত্নীয় জামানের যোগসাজশে এই দখল ও প্লট বাণিজ্য পরিচালিত হয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, জেলা প্রশাসনের অভিযানে শামীম কোরেশীসহ তিনজন গ্রেপ্তার ও দণ্ডিত হলেও আতিকুর রহমান আতিক ও জামান দীর্ঘদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আওতার বাইরে রয়েছেন।

‎এ বিষয়ে স্থানীয়দের প্রশ্ন, চা-বাগানের একজন দায়িত্বশীল ম্যানেজার যদি জমি দখল ও বিক্রির মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকেন, তাহলে ইজারাদার কীভাবে দায় এড়াতে পারেন? তাদের ভাষ্য, ইজারাদারের আত্মীয় হিসেবে পরিচিত জামানের বিরুদ্ধেও দখলকৃত জমির পজিশন বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। ফলে পুরো ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন নয়; বরং সংঘবদ্ধভাবে সরকারি সম্পত্তি দখল ও বিক্রির একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমের নির্দেশনায় খাদিমপাড়া এলাকায় বৃহৎ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোশনূর রুবাইয়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আলীম উল্লাহ খান, সরকার মামুনুর রশীদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) ও বাংলাদেশ আনসার বাহিনী সহযোগিতা করে।

‎প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ওই অভিযানে প্রায় ৩০ একর সরকারি জমি উদ্ধার করা হয় এবং জালিয়াতি ও অবৈধ দখলের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযান পরিচালনার কয়েক মাস পরও দখল বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযুক্ত সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ায় নতুন করে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা সরকারি খাস জমি ও চা-বাগানের ভূমি রক্ষায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd